সকল নামাজের নিয়ত সমূহ

ফজর

ছুন্নত ২ রাকাত ঃ নাওয়ায়তোয়ান উছাল্লিয়া লিল্লাহেতায়ালা রাকাআতায় ছালাতিল ফজরে হুন্নাতে রাঙুলিল্লাহে তায়ালা, মোতাওয়াে জেহাতেল কায়বাতিশ শারিফাতে আল্লাহু আকবার।

ফরজ ২ রাকাত ও নওয়ায়তোয়ান উছাল্লিয়া লিল্লাহেতায়ালা রাকআতায় ছালাতিল ফজরে ফারজুল্লাহে তায়ালা। মোতাওয়াজ্জেহান এলা জেহাতেল কায়বাতিশ শারিফাতে আল্লাহ আকবার।

জোহর

ছুন্নত ৪ রাকাত : নামাজে 'রাকাআতায় ছালাতিল' এর স্থলে 'আরবা রাকাআয়াতে ছালাতিল' জোহরে ঘুন্নত রাখুলিল্লাহে তায়ালা বলিতে হইবে। ফরজ ৪ রাকাত : 'আরবা রাকাআতে ছালাতিল জোহরে ফারজুল্লাহে তায়ালা বলিতে হইবে।

ছুন্নত ২ রাকাত : 'রাকাআতে ছালাতিল জোহরে ছুন্নাতে রাছুলিল্লাহে তায়ালার বলিতে হইবে।

নফল ২ রাকাত ঃ শুধুমাত্র রাকাআতে ছালাতিল 'নফল' বলিতে হইবে।

আছর

ছুন্নত ৪ রাকাত : 'আরবা রাকাআতে ছালাতিল আছরে ছুন্নাতে রাছুলিল্লাহে তায়ালা' বলিতে হইবে।

ফরজ ৪ রাকাত 'আরবা রাকাআতে ছালাতিল আছরে ফারজুল্লাহে ধারণে বলিতে হইবে।

সকল নামাজের নিয়ত সমূহ
সকল নামাজের নিয়ত সমূহ

মাগরেব

ফরজ ৩ রাকাত : রাকাতে ছালাতিল' এর স্থলে ছালাছা রাকাতে ছালবিদ মাগরের ফারজুল্লাহে তায়ালা' বলিতে হইবে।

ঘুন্নত ২ রাকাত : রাকাআতায় ছালাতিল মাগরেবে ছুন্নাত বলিতে হইবে। নফল ২ রাকাত ঃ রাকাআতায় ছালাতিল মাগরেবে নফল বলিতে হইবে।

এশা

ছুন্নত ৪ রাকাত ঃ আছরের ৪ রাকাত নিয়তের ন্যায় এশার স্থলে শুধু এশা কথাটি বলিতে হইবে। ৪ রাকাত ফরজ ও আছরের ৪ রাকাত নিয়তের নাম আছরের স্থলে শুধু এশা কথাটি বলিতে হইবে।

ফরজ ৪ রাকাত : আরবা রাকায়াতে ছালাতিল এশা ফারজুল্লাহে তায়াল বলিতে হইবে ।

ছুন্নত ২ রাকাত : এশার ছুন্নত নামাজের নিয়ত হইবে। নফল ২ রাকাত ঃ ২ রাকাত নফলের ন্যায় নিয়ত হইবে।

বেতর ৩ রাকাত ঃ (ওয়াজেব)ঃ মাগরেবের ৩ রাকাত ফরজ নামাজের ন্যায়। নিয়ত হইবে শুধু 'মাগরের ফারজুল্লাহে তায়ালা এর স্থলে বেচার ওয়াজেবুল্লাহে তায়ালা বলিতে হইবে।

নফল ২ রাকাত : শুধু 'এশা নফল কথাটি যোগ করিতে হইবে।

জুমআর নামাজ

প্রথমে ২ রাকাত তাহিয়্যাতুল অজু ছুন্নত।

পরে ২ রাকাত দাগুলোল মাছজেল ছুন্নত। অতঃপর ৪ রাকাত কাবলুল জোমআ এরপর ইমামের সহিত ২ রাকাত ফরজ।

ফরজের নিয়ত ঃ নাওয়ায়তো আন্ উছকেতা আন্ জেম্মাতী ফারজুজ জোহরে বেআদায়ে রাকাআতায় ছালাতিল জুমআতে ফারজুল্লাহে তায়ালা একতাদায়তো বেহাজাল ইমাম মোতাগুজ্জেহান এলা জেহাতিল কায়বাতিশ শারিফাতে আল্লাহ আকবার।

অতঃপর ৪ রাকাত বা দুল জোমআ ছুন্নত নামাজের ন্যায় নিয়ত করিতে হইবে পরে ২ রাকাত ছন্নাতুল ওয়াক্ত হাত নামাজের ন্যায় নিয়ত করিতে হইবে পরে ২ রাকাত নফল নামাজ পড়িতে হইবে।

নামাজের শর্তাবলী

(১) নামাজে শরীরের কাপড় ও নামাজের স্থান অবশ্যই পাক হইতে হইবে। 

(২) পুরুষদের হাটুর নীচে পর্যন্ত এবং মেয়েদের সারা শরীর ঢাকা থাকিতে হইবে।। (মুখমন্ডল ও হাত ব্যতীত) 

(৩) নামাজের কোন ওয়াজেব ভুলক্রমে বাদ পড়িলে 'ছাহো সেজদা' দিতে হইবে।

(৪) নিয়ত করিয়া নাভীর নীচে বাম হাতের উপর ডান হাত রাখিতে হইবে।

(৫) নামাজে বসিবার সময় বাম পা বিছাইয়া ও ডান পা খাড়া রাখিতে হইবে।

(6) সেজদার সময় দুই হাত কান বরাবর রাখিতে হইবে এবং উরু ও পেটের মধ্যে যথেষ্ট ফাঁক রাখিতে হইবে, সেজদার সময় পায়ের আঙুল ও হাতের আঙুল কেবলামুখী রাখিতে হইবে। জা

(৭) নামাজে দাঁড়াইয়া সেজদার স্থানে, রুকুতে পায়ের উপর, বসিবার সময় বুকের উপর, সেজদায় নাকের উপর এবং ছালাম ফিরাইবার সময় স্কন্ধের উপর দৃষ্টি রাখিতে হইবে।

(৮) রুকুতে পিঠ সোজা রাখিতে হইবে।

ইমামের পিছনে নামাজ পড়িবার নিয়ম

নিয়ত যে নামাজ পড়া হইতেছে সেই নামাজের নিয়তের সহিত ‘একতা দায়তো বেহাজাল ইমাম' বলিতে হইবে। ইমামের পিছনে নামাজ পড়িবার সময় মোক্তাদিগণকে শুধুমাত্র রুকু, সেজার তাছবীহ এবং তাকবীর, তাহমীদ, আত্তাহিয়্যাতো, দরুদ, দোয়ায়ে মাছুরা ছাড়া আর কিছুই পড়িতে হইবে না।

মাছবুকের নামাজ

যিনি এমামের পিছনে পূর্ণ নামাজ ধরিতে পারেন নাই তাঁহাকে মাছবুক বলে । মাছবুক যে রাকাতের “রুকু' পায় সেই রাকাত থেকে তাঁহার নামাজ সিদ্ধ হয়। অবশিষ্ট নামাজ মাছবুককে নিজে পড়িতে হয়। চারি রাকাত নামাজে মাছবুক দ্বিতীয় রাকাতের রুকু ধরিতে পারিলে ইমামের নামাজ শেষে মাছবুককে দাঁড়াইয়া এক রাকাত নামাজ পড়িতে হইবে, তৃতীয় রাকাতের রুকু ধরিতে পারিলে ইমামের নামাজ শেষে ছালাম না ফিরাইয়া মাছবুক ২ রাকাত নামাজ নিজে পড়িবে, চতুর্থ রাকাতের রুকু ধরিতে পারিলে মাছবুককে তিন রাকাত নামাজ নিজে পড়িতে হইবে। ২ রাকাত নামাজের ক্ষেত্রে দ্বিতীয় রাকাতের রুকু পাইলে নামাজ শেষে মাছবুককে আর এক রাকাত নামাজ পড়িয়া লইতে হইবে। তিন রাকাত নামাজেরও ঐ একই নিয়ম। যে কয় রাকাত ছুটিয়া যায় সেই কয় রাকাত মছবুককে পড়িয়া লইতে হইবে। তবে মাছবুককে অবশ্যই ইমামের সহিত হউক বা একাকী হউক ২ রাকাতে অবশ্যই ছুরা ফাতেহার সহিত অন্য ছুরা পড়িতে হইবে। অর্থাৎ ইমামের পিছনে মাত্র এক রাকাত পাইলে পরের রাকাতগুলোর মধ্যে শুধুমাত্র এক রাকাতে ছুরা ফাতেহার সহিত আর একটি ছুরা পড়িতে হইবে এবং অবশিষ্ট রাকাতগুলিতে শুধু ডুরা ফাতেহা পড়িতে হইবে। আর যদি ইমামের সহিত ২ রাকাত নামাজ আদায় হয় সেক্ষেত্রে অন্য রাকাতগুলিতে শুধুমাত্র ছুরা ফাতেহা পড়িতে হইবে।