হজরত বুরাইদা (রা.) বর্ণনা করেন, নবী করিম (সা.) ইরশাদ করেছেন, যে ব্যক্তি প্রত্যেক ফরজ নামাজের পর দশটি বাক্য পাঠ করবে আল্লাহতায়ালা তার জন্য যথেষ্ট হয়ে যান। তার মধ্যে পাঁচটি বাক্য দুনিয়ার সঙ্গে সম্পৃক্ত। আর পাঁচটি বাক্য আখেরাতের সঙ্গে সম্পৃক্ত।
হজরত বুরাইদা (রা.) বর্ণনা করেন, নবী করিম (সা.) ইরশাদ করেছেন, যে ব্যক্তি প্রত্যেক ফরজ নামাজের পর দশটি বাক্য পাঠ করবে আল্লাহতায়ালা তার জন্য যথেষ্ট হয়ে যান। তার মধ্যে পাঁচটি বাক্য দুনিয়ার সঙ্গে সম্পৃক্ত। আর পাঁচটি বাক্য আখেরাতের সঙ্গে সম্পৃক্ত। নবী করিম (সা.) কর্তৃক বর্ণিত সেই দোয়াটি হলো-
উচ্চারণ : হাসবিয়াল্লাহু লি দ্বীনী হাসবিয়াল্লাহু লি দুনিয়ায়ি। হাসবিয়াল্লাহু লিমা আহাম্মানী। হাসবিয়াল্লাহু লিমান বাগা আলাইয়্যা। হাসবিয়াল্লাহু লিমান হাসাদানী। হাসবিয়াল্লাহু লিমান কাদানী বিসু-য়িন। হাসবিয়াল্লাহু ইনদাল মাউতি। হাসবিয়াল্লাহু ইনদাল মাসআলাতি ফিল কাবরি। হাসবিয়াল্লাহু ইনদাল মিজান ৷ হাসবিয়াল্লাহু ইনদাস সিরাতি। হাসাবিয়াল্লাহু লা ইলাহা ইল্লা-হুয়া আলাইহি তাওয়াক্কালতু ওয়া ইলাইহি উনিব।
অর্থ : আল্লাহতায়ালা আমার দ্বীন ও দুনিয়ার জন্য যথেষ্ট। যা কিছু আমাকে পেরেশান করবে সে ব্যাপারে আল্লাহ আমার জন্য যথেষ্ট। যে ব্যক্তি আমার বিরোধিতা করবে তার ব্যপারে আল্লাহ আমার জন্য যথেষ্ট। যে আমার সঙ্গে হিংসা করবে তার ব্যপারে আল্লাহ আমার জন্য যথেষ্ট। যে আমার বিরুদ্ধে কুচক্র করে তার ব্যপারে আল্লাহ আমার জন্য যথেষ্ট। মৃত্যুর সময়ই আল্লাহ আমার জন্য যথেষ্ট। কবরের প্রশ্ন-উত্তরের সময় আল্লাহ আমার জন্য যথেষ্ট। মিজানে আমল পরিমাপের সময় আল্লাহ আমার জন্য যথেষ্ট। পুলসিরাত পার হওয়ার সময় আল্লাহ আমার জন্য যথেষ্ট। আল্লাহই আমার জন্য যথেষ্ট। তিনি ব্যতীত আর কোনো উপাস্য নেই। আমি তার ওপর ভরসা রাখি। আমি তার প্রতি মনোনিবেশ করি।
