আমাদের চিন্তা-চেতনা কেমন হওয়া উচিত?

পবিত্র কুরআনের ৪ টি মোটিভেশনাল শব্দ, ছোট্ট কিন্তু ব্যাপক অর্থবোধক ও উপকারীঃ

১. "লা তাহযান"

- অতীত নিয়ে কখনো হতাশ হবেন না।

২. "লা তাখাফ"

- ভবিষ্যৎ নিয়ে কখনো দুশ্চিন্তা করবেন না, তা ছেড়ে দিতে হবে আলস্নাহর কাছে।

৩. "লা তাগদাব"

- জীবনে চলার পথে বিভিন্ন সময় অনাকাঙ্ক্ষিত বিষয়ের সম্মুখীন হতে হবে, রাগ করবেন না।

৪. " লা তাসখাত"

- আলাহর কোন ফয়সালার প্রতি অসন্তুষ্ট হবেন না।

তিনটি বিষয় নিয়ে বেশী চিন্তা করবেন না:

  • অভাব নিয়ে চিন্তা করবেন না। তাহলে আপনার দুশ্চিন্তাও দুর্দশা বেড়ে যাবে, অন্তরে লোভ তৈরী হবে।
  • আপনার উপর জুলুম হয়েছে, সেটা নিয়ে বেশী ভাববেন না। তাহলে আপনার অন্তর কঠোর হয়ে যাবে, হিংসা-বিদ্বেষ বেড়ে যাবে, ক্রোধ দীর্ঘস্থায়ী হবে।
  • দুনিয়ায় দীর্ঘদিন বেঁচে থাকার আশা করবেন না। তাহলে জীবন নষ্ট হয়ে যাবে, আজ নয় কাল নেক আমল করবো, এই চিন্তায় থাকতে থাকতে মৃত্যুর ফেরেশতা এসে যাবে।"

৫ টি অভ্যাস, নিজের থেকে একদম ঝেড়ে ফেলুন:

১. অন্যের দয়া কামনা করা

২.পরিবর্তনকে ভয় করা

৩. অতীত নিয়ে পরে থাকা

৪. নিজেকে ছোট মনে করা

৫. অতিরিক্ত চিন্তা করা


কুরআনের আদব:
  • অপমান করবেন না (৪৯:১১ )
  • অপচয় করবেন না ( ১৭:২৬ )
  • গরীবদের খাওয়ান (২২:৩৬ )
  • গীবত করবেন না (৪৯:১২ )
  • আপনার শপথ রাখুন (৫:৮৯)
  • ঘুষ নেবেন না (২৭:৩৬)
  • আপনার রাগকে সংযত করুন (৩:১৩৪) গসিপ ছড়াবেন না (২৪:১৫ )
  • অন্যদের সম্পর্কে ভাল চিন্তা করুন (২৪:১২) অতিথিদের সাথে ভাল ব্যবহার করুন ( ৫১:২৪-২৭)
  • বিশ্বাসীদের ক্ষতি করবেন না (৩৩:৫৮) পিতামাতার সাথে অসভ্য হবেন না (১৭:২৩)
  • অন্যদের নিয়ে উপহাস করবেন না (৪৯:১১ )
  • নম্রভাবে চলুন (২৫:৬৩)
  • মন্দের জবাব ভাল দিয়ে দাও (৪১:৩৪)
  • যদি শত্রু শান্তি চায়, তাহলে তা গ্রহণ করুন (৮:৬১)
  • অন্যের মিথ্যা দেবতাদের অপমান করবেন
  • না(৬:১০৮)